পবিত্র আল-কোরআনে দোয়ার আদেশ

মহান আল্লাহ্ তা'আলার অনুগত যারা তারা সব সময়ই একমাত্র আল্লাহ্

তাআলার দরবারেই মাথা নত করবে। বিপদাপদ ও বালা মছিবত হতে

নিজের মুক্তি লাভের জন্য তাঁরই দরবারে প্রার্থনা করবে। মান-সম্মান,

ধন-দৌলত ও সন্তান-সন্তুতি সম্পর্কীয় সব ধরনের সৎ উদ্দেশ্য পূর্ণ হওয়ার

জন্য তাঁরই দরবারে আবেদন-নিবেদন করিবে। বস্তুতঃ আল্লাহ্ তা'আলাও

তাহাই চেয়ে থাকেন। বান্দা তারই দরবারে পরে থাকা, সুখ-সমৃদ্ধির দিনে

তাঁর নেয়ামতের কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা, অপরদিকে দুঃখ-দৈন্যের দিনে তারই

দয়া ও করুণা ভিক্ষা চাওয়াই হচ্ছে মহান আল্লাহ্ রাব্বল আলামীনের সন্তুষ্টি

অর্জনের প্রধান সােপান। দোয়া, ইস্তেগফার, ফরিয়াদ, মুনাজাত,

আবেদন-নিবেদন তথা নিজের দীনতা-হীনতা প্রকাশ করে বান্দাগণ আল্লাহ্র

রহমত লাভ করে, আর পাপীরা পাপ মুক্ত হয় এবং নেককারদের মরতবা ও

মর্যাদা আরও উন্নত হয়।

মূলকথা, দোয়ার বরকতে মানুষ উভয় জাহানের কল্যাণ ও কামিয়াবী

হাসির করে। রাহমানুর রাহীমও বান্দার দ্বীন-দুনিয়ার ভালই চেয়ে থাকেন।

এই জন্য তিনি পবিত্র কোরআনে কালামের মাধ্যমে বান্দাগণকে তাহারই

দরবারে দোয়া করিবার নির্দেশ দিয়াছেন।

পক্ষান্তরে, যারা তাঁহার দয়া ও করুণা হতে নিরাশ হয় এবং তাহার

দরবারে কিছু না চায়, তিনি তাদের প্রতি অসন্তুষ্ট।

সুতরাং আল্লাহর দেয়া নিয়ামতসমূহের কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপনের জন্য, আরও

অধিক নেয়ামত অর্জন করার জন্য, রােগ-ব্যধি ও বালা-মুছিবত হতে

নিরাপদে থাকার জন্য আমাদের উচিত উঠা-বসায়, কথা-বার্তায়, পােশাকে,

খাওয়া-দাওয়ায়, শয়নে-জাগরণে ইত্যাদি কাজে প্রতি মুহূর্তে আল্লাহ্

তাআলাকে স্মরণ রাখা। আর ভাল ভাল দোয়া পাঠ করে কার্যতঃ তার বন্দেগী

ও গােলামীর পরিচয় দেয়া।

পবিত্র কোরআনে মজীদে এরশাদ হয়েছে, ফাকুরুনী আকুরকুম

ওয়াশকুরূরী ওয়ালা তাফুরূন। অর্থাৎ, “হে আমার বান্দাগণ! তােমরা


আমাকে স্মরণ করিও, তাহলে আমি তােমাদিগকে স্মরণ করব। আর আমার

নেয়ামতের শােকরিয়া আদায় করিও এবং (আমার দান ও অনুগ্রহের কথা

ভুলে গিয়ে) আমার নাফরমানী করাে না।”

অন্য এক আয়াতে আরও স্পষ্ট ভাষায় নির্দেশ হয়েছে যে,উদৃঊনী

আসৃতাজিব লাকুম। অর্থাৎ, “তােমরা আমাকে ডাকিও; আমি তােমাদের

ডাকে সাড়া দিব।”

Comments

Post a Comment

Popular posts from this blog

২০/৩০ মিনিটের বিনিময়ে 3000/8000টাকা

Crypto currency mining

Zakaria Al Hasan IELTS Passed the test